আইপিডিসি সম্পর্কে

আইপিডিসি সম্পর্কে

আমাদের যাত্রা

আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি পূর্বে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আইপিডিসি দেশের প্রথম বেসরকারি খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আইপিডিসি দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা এই গৌরবময় যাত্রায়, প্রতিষ্ঠানটি আস্থা, দায়িত্বশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে চলেছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইপিডিসি তার রিটেইল, কর্পোরেট ও এসএমই পণ্য ও সেবার মাধ্যমে দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে যুবসমাজ, নারী উদ্যোক্তা এবং স্বল্প-সেবাপ্রাপ্ত খাতগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আইপিডিসি নিজেকে একটি উদ্যমী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতমুখী আর্থিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অসাধারণ কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স

গ্রাহক সেবাকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। আইপিডিসিতে তা শুধু সার্ভিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং আমরা আমাদের গ্রাহকদের জন্য তৈরি করি একটি চিরস্থায়ী অভিজ্ঞতা।

গ্রাহকের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার

সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে যাওয়া

উদ্ভাবনের জন্য নিরলস সাধনা

বৈচিত্র্য

কর্মক্ষেত্রে এবং কম্যুনিটিতে বৈচিত্র্যকে উৎসাহিত করা।

সততা

কাজ পরিচালনায় সর্বোচ্চ স্তরের সততা প্রদর্শন করা

টিমওয়ার্ক

সহযোগিতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে টিমওয়ার্ককে উৎসাহিত করা

পারফরম্যান্স

জয়ের দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি প্রদর্শন করা

প্রযুক্তি

গ্রাহককে সেরা অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য সর্বশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার

কর্পোরেট নাগরিকত্ব

আমাদের কাজের সুবিস্তৃত ক্ষেত্রে কর্পোরেট সিটিজেনশিপের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করা

আইপিডিসি’র কাছে অংশীদারগণের গুরুত্ব সবসময়ই বেশি

৭৩.৭ বিলিয়ন

লোন পোর্টফোলিও

৬২.২ বিলিয়ন

ডিপোজিট

৭.৪ বিলিয়ন

শেয়ারহোল্ডার্স ইক্যুইটি

এএএ

ক্রেডিট রেটিং

*৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ভিত্তিক

অর্থায়নের মাইলফলক

সূচনালগ্ন থেকেই আইপিডিসি ফাইন্যান্স দেশের শিল্পখাত গঠন ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আইপিডিসি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তাৎপর্যপূর্ণ প্রজেক্টে তাদের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আর্থিক সহযোগী হিসেবে জড়িত ছিল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনেক প্রজেক্টই বাংলাদেশের প্রথম। সবার জ্ঞাতার্থে, কিছু প্রজেক্টের নাম এখানে উল্লেখ করা হলো:

সিলেট স্ট্রাইকার্স

বিপিএল ২০২৩-এ সিলেট স্ট্রাইকার্স দলের স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয় আইপিডিসি।

জানুয়ারি০১২০২৩

চাইল্ড ম্যারেজ প্রিভেনশন লোন

অসহায় পরিবারে বাল্যবিবাহ রোধে চালু করা হয় ‘চাইল্ড ম্যারেজ প্রিভেনশন লোন’—বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া একটি সুদমুক্ত ও অভিনব আর্থিক উদ্যোগ।

জানুয়ারি০১২০২২

আইপিডিসি আমাদের গান

‘আইপিডিসি আমাদের গান’ বাংলা লোকসংগীতকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি অনন্য উদ্যোগ। আর এজন্য ২০২১ সালে এটি অর্জন করে ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি প্রোটেকশন অ্যাওয়ার্ড।

জানুয়ারি০১২০২২

তামিম ইকবালের যুক্ত হওয়া

জাতীয় ক্রিকেটার তামিম ইকবাল আইপিডিসি’র ‘উচ্ছ্বাসের অগ্রদূত’ (ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর) হিসেবে যুক্ত হন।

জানুয়ারি০১২০২১

মানবতা ডিপোজিট

করোনা-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় সব কার্যক্রম ডিজিটাল করে, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চালু করা হয় ‘মানবতা ডিপোজিট’ স্কিম।

জানুয়ারি০১২০২০

বর্ষসেরা আর্থিক প্রতিষ্ঠান

১৮তম বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ডস-এ ‘বেস্ট ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অব দ্য ইয়ার’ সম্মানে ভূষিত হয় আইপিডিসি।

জানুয়ারি০১২০১৯

অর্জন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম ব্লকচেইনভিত্তিক ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্স প্ল্যাটফর্ম ‘অর্জন’ চালু করে আইপিডিসি।

জানুয়ারি০১২০১৯

রিব্র্যান্ডিং

‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড’ থেকে রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির নতুন নাম হয় 'আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি'।

জানুয়ারি০১২০১৬

পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা

যুবসমাজ, নারী এবং স্বল্প-সেবাপ্রাপ্ত খাতকে কেন্দ্র করে আইপিডিসি প্রণয়ন করে পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা।

জানুয়ারি০১২০১৬

শেয়ারহোল্ডিং কাঠামোতে পরিবর্তন

শেয়ারহোল্ডিং কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের মাধ্যমে ২৫% শেয়ার নিয়ে যুক্ত হয় ব্র্যাক, আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন যুক্ত হয় ১০% নিয়ে এবং আরএসএ ক্যাপিটাল লিমিটেড ৫% নিয়ে।

জানুয়ারি০১২০১৫

পাবলিক লিস্টিং

আইপিডিসি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপ নেয়।

জানুয়ারি০১২০০৬

জিরো-কুপন বন্ড

বিশ্বব্যাংকের কারিগরি সহায়তায় রিসিভেবল সিকিউরিটাইজেশনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো জিরো-কুপন বন্ড চালু করে আইপিডিসি।

জানুয়ারি০১২০০৪

আইপিডিসির সূচনা

১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আইপিডিসি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

জানুয়ারি০১১৯৮১

আমাদের দর্শন

যুব, নারী এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেশের সবচেয়ে উদ্যমী আর্থিক ব্র্যান্ড হয়ে ওঠা।

আমাদের লক্ষ্য

বন্ধুত্বপূর্ণ, সময়োপযোগী, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে নতুন নতুন আর্থিক সমাধান দিয়ে আমাদের গ্রাহক ও সমাজকে অবাধে বেড়ে উঠতে এবং তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতায় বেঁচে থাকতে সাহায্য করা।

সকল ফর্ম
গ্রাহক নিবন্ধন
A2GF